লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির সম্পর্কে কোন্ বিবৃতিটি মিথ্যা? (50th BCS)
কNi-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি
খএতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয়
গ'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয়✓
ঘএখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে
ব্যাখ্যা
লিথিয়াম-আয়ন (Li-ion) ব্যাটারি বর্তমান প্রজন্মের ইলেকট্রনিক্সে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রিচার্জেবল ব্যাটারি।
'মেমরি এফেক্ট' (Memory Effect) কী?
পুরনো প্রযুক্তির নিকেল-ক্যাডমিয়াম (Ni-Cd) ব্যাটারিগুলোকে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না করে বারবার রিচার্জ করলে ব্যাটারি তার সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটি "ভুলে" যায় এবং ধারণক্ষমতা কমে যায়। একে মেমরি এফেক্ট বলে। এর থেকে বাঁচতে Ni-Cd ব্যাটারিকে মাঝে মাঝে শূন্য (0%) পর্যন্ত ডিসচার্জ করতে হতো।
মিথ্যা বিবৃতিটির ব্যাখ্যা:
লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে কোনো 'মেমরি এফেক্ট' নেই। বরং, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিকে সম্পূর্ণ ০% পর্যন্ত ডিসচার্জ (Deep discharge) করলে এর ভেতরের রাসায়নিক উপাদানের ক্ষতি হয় এবং আয়ু কমে যায়। তাই এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের কোনো প্রয়োজন নেই; বরং আংশিক চার্জিং এদের জন্য ভালো।
অন্যান্য সঠিক তথ্য:
— লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির এনার্জি ডেনসিটি (শক্তির ঘনত্ব) অনেক বেশি।
— এতে পজিটিভ ইলেকট্রোড বা ক্যাথোড হিসেবে সাধারণত লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ($LiCoO_2$) ব্যবহৃত হয়।
— ওভারচার্জ বা শর্টসার্কিট হলে থার্মাল রানঅ্যাওয়ে (Thermal runaway) প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়ে এতে আগুন ধরে যেতে পারে।
Source: Battery University; IEEE Standard for Rechargeable Batteries.