ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
মোবাইল কমিউনিকেশনে প্রজন্ম পরিবর্তনের সাথে সাথে ডেটা ট্রান্সফারের গতি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 4G প্রযুক্তি 3G-এর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে, যা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী।
**4G প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **উন্নত ডেটা গতি**: 4G নেটওয়ার্কে ডেটা ট্রান্সফার রেট সাধারণত 100 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে, যেখানে 3G-এর গতি ছিল মাত্র 2 Mbps থেকে 56 Mbps পর্যন্ত।
— **লেটেন্সি হ্রাস**: 4G-এর লেটেন্সি (প্রতিক্রিয়ার সময়) প্রায় 30-50 মিলিসেকেন্ড, যেখানে 3G-এর লেটেন্সি ছিল প্রায় 100-150 মিলিসেকেন্ড।
— **উন্নত নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতা**: 4G নেটওয়ার্কে ডেটা প্যাকেটের ক্ষতি কম হয় এবং সংযোগ স্থিতিশীল থাকে।
— **আইপি ভিত্তিক নেটওয়ার্ক**: 4G সম্পূর্ণরূপে আইপি (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্ক হওয়ায় ভয়েস কলও ইন্টারনেট প্রোটোকলের মাধ্যমে পরিচালিত হয় (VoIP)।
— **উন্নত মাল্টিমিডিয়া সেবা**: উচ্চ গতির ইন্টারনেটের কারণে ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং, এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মতো সেবাগুলো আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ **ক) ভয়েস টেলিফোনি**: ভয়েস টেলিফোনি 2G থেকেই চালু ছিল এবং 3G ও 4G উভয় প্রযুক্তিতেই বিদ্যমান। এটি 4G-এর অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য নয়।
✗ **খ) ভিডিও কল**: ভিডিও কলও 3G থেকেই চালু ছিল, যদিও 4G-এর উচ্চ গতির কারণে ভিডিও কলের মান উন্নত হয়েছে। এটি নতুন বৈশিষ্ট্য নয়।
✗ **গ) মোবাইল টিভি**: মোবাইল টিভি সেবা 3G থেকেই চালু ছিল, যদিও 4G-এর উচ্চ গতির কারণে টিভি স্ট্রিমিং আরও ভালোভাবে পরিচালিত হয়। এটি নতুন বৈশিষ্ট্য নয়।
**উৎস:**
— *Wireless Communications and Networks* by William Stallings (Pearson, 2016)
— *4G: LTE/LTE-Advanced for Mobile Broadband* by Erik Dahlman, Stefan Parkvall, Johan Skold (Academic Press, 2013)
— বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক নথি।