ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) সেগুনবাগিচা
<বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন>
**মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচা এলাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক জাদুঘর।
— এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঘটনা, দলিলপত্র, ছবি, অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত।
— জাদুঘরটির উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ। প্রধান উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যেমন ড. সারওয়ার আলী, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, রবিউল হোসেন, আফসান চৌধুরী প্রমুখ।
— জাদুঘরটির স্থাপত্য নকশা করেছেন স্থপতি সালাউদ্দিন আহমেদ। এটি একটি চারতলা ভবন, যেখানে বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে।
— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত করা এবং স্বাধীনতার মূল্যবোধ তুলে ধরা।
— জাদুঘরটিতে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যেমন অপারেশন সার্চলাইটের বর্ণনা, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা, বিভিন্ন যুদ্ধের ছবি ও মানচিত্র।
— এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয় এবং সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতায় চলে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ধানমণ্ডি: ধানমণ্ডি এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অবস্থিত, যা দেশের বৃহত্তম জাদুঘর হিসেবে পরিচিত। এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নয়।
✗ গ) মগবাজার: মগবাজার এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর, যা দেশের সামরিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে থাকে।
✗ ঘ) বনানী: বনানী এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ভবন। এটি কোনো ঐতিহাসিক জাদুঘর নয়।
উৎস:
— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [www.muktijudho.org](http://www.muktijudho.org)
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর সম্পর্কিত তথ্য: জাতীয় জাদুঘরের অফিসিয়াল প্রকাশনা
— বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বই