ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ১৯৯৬
**মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত নিদর্শনাদি সংরক্ষণ করে জনগণের সামনে তুলে ধরে।
**মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **প্রতিষ্ঠার সাল ও স্থান:** মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় **১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ**। এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
— **প্রথম উদ্যোগ:** ১৯৯৬ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে একই বছরের ২২ মার্চ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
— **উদ্দেশ্য:** মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, দলিলপত্র, অস্ত্রশস্ত্র, ব্যক্তিগত সামগ্রী ইত্যাদি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা।
— **স্থাপত্য ও নকশা:** স্থপতি তানভীর করিমের নকশায় নির্মিত ভবনটি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
— **সংগ্রহ:** জাদুঘরে প্রায় **২০,০০০-এর বেশি নিদর্শন** রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত অস্ত্র, চিঠিপত্র, ছবি, মানচিত্র ইত্যাদি।
— **স্বীকৃতি:** ২০১৭ সালে ইউনেস্কো মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে **"মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"** তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ১৯৯৮: এটি ভুল কারণ জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
✗ গ) ২০০০: এটি ভুল কারণ প্রতিষ্ঠার বছর ১৯৯৬।
✗ ঘ) ২০০৮: এটি ভুল কারণ ২০০৮ সালে জাদুঘরের কোনো উল্লেখযোগ্য পুনর্গঠন বা নতুন উদ্বোধন হয়নি।
**উৎস:**
— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [www.muktijudho.org.bd](http://www.muktijudho.org.bd)
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক প্রকাশিত "মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর: ইতিহাস ও ঐতিহ্য" শীর্ষক প্রকাশনা।
— ইউনেস্কো কর্তৃক প্রকাশিত "Memory of the World" তালিকা (২০১৭)।