ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ৬৮ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করে। এর মধ্যে "বীর উত্তম" খেতাবটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পদক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই খেতাব প্রাপ্তদের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসিকতাপূর্ণ।
**বীর উত্তম খেতাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বীর উত্তম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব ও সাহসিকতার জন্য প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পদক।
— এই খেতাবটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম প্রদান করা হয়।
— মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যারা বিশেষ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তাদেরকে এই খেতাব প্রদান করা হয়।
— বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্তদের নাম ও অবদান সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
— এই খেতাব প্রাপ্তদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর খালেদ মোশাররফ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার প্রমুখ।
— মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা এই খেতাব লাভ করেন, যেমন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা।
— এই খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন সেনাবাহিনীর অফিসার, যারা যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
— বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্তদের তালিকা সরকারিভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর তা বিভিন্ন সরকারি প্রকাশনা ও ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৪১ জন: এই সংখ্যাটি বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্তদের প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক কম। এটি সম্ভবত অন্যান্য খেতাবের সংখ্যার সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
✗ খ) ৫৮ জন: এই সংখ্যাটিও সঠিক নয়। এটি হতে পারে কোনো অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
✗ ঘ) ৬২ জন: এই সংখ্যাটি প্রকৃত সংখ্যার কাছাকাছি হলেও সঠিক নয়। এটি হতে পারে কোনো প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
**উৎস:**
১. বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত "বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্তদের তালিকা"।
২. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও প্রকাশনা।
৩. "মুক্তিযুদ্ধ কোষ" (সম্পাদক: মুনতাসীর মামুন)।