ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ন
বাংলা বর্ণমালার অন্তর্গত ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বিশেষ ধারা হলো ‘ঙ, ঞ, ণ, ন’। এই ধারাটি বাংলা বর্ণমালার উচ্চারণস্থান অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণস্থান অনুসারে বর্ণগুলোকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যেমন:
— কণ্ঠ্য বর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ
— তালব্য বর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
— মূর্ধন্য বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
— দন্ত্য বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন
— ওষ্ঠ্য বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম
এই ধারায় উল্লিখিত বর্ণগুলো উচ্চারণস্থানের ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। ‘ঙ’ (কণ্ঠ্য বর্ণ), ‘ঞ’ (তালব্য বর্ণ), ‘ণ’ (মূর্ধন্য বর্ণ), তারপর আসে ‘ন’ (দন্ত্য বর্ণ)। তাই ধারাটির পরবর্তী অক্ষর হবে ‘ন’।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ঠ: এটি মূর্ধন্য বর্ণের অন্তর্গত, কিন্তু ধারাটির পরবর্তী বর্ণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়।
✗ খ) ম: এটি ওষ্ঠ্য বর্ণের অন্তর্গত, ধারাটির পরবর্তী বর্ণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়।
✗ ঘ) র: এটি তাড়নজাত বর্ণের অন্তর্গত, ধারাটির পরবর্তী বর্ণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়।
উৎস:
— বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান অভিধান (২০১২ সংস্করণ)
— বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক
— জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রকাশিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র