নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান?
ককিউবা
খভিয়েতনাম✓
গউজবেকিস্তান
ঘসােমালিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ভিয়েতনাম
রাশিয়ার বৈদেশিক সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক উপস্থিতি সম্পর্কিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিশেষ করে শীতল যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে রাশিয়া তার সামরিক প্রভাব বিস্তারের জন্য বিভিন্ন দেশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে। ভিয়েতনামে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতি সেই সম্পর্কিত একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
**ভিয়েতনাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যার রাজধানী হ্যানয়। এটি একটি একদলীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে কমিউনিস্ট পার্টি শাসন করে।
— ভিয়েতনাম ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকেই ভিয়েতনামে সামরিক সহায়তা প্রদান করা হতো।
— ভিয়েতনামের ক্যাম রান উপসাগরে অবস্থিত **ক্যাম রান বে** হলো রাশিয়ার অন্যতম প্রধান সামরিক ঘাঁটি। এটি রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
— এই ঘাঁটিতে রাশিয়া তার যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে থাকে।
— ভিয়েতনামের সাথে রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে এই ঘাঁটির ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) কিউবা: কিউবায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি ছিল সোভিয়েত যুগে, বিশেষ করে কোল্ড ওয়ারের সময়। তবে বর্তমানে সেখানে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি নেই। কিউবা বর্তমানে রাশিয়ার সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলেও সামরিক ঘাঁটি নেই।
✗ গ) উজবেকিস্তান: উজবেকিস্তান মধ্য এশিয়ার একটি দেশ যেখানে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, তবে তা সামরিক ঘাঁটির আকারে নয়। বরং এটি সামরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ।
✗ ঘ) সোমালিয়া: সোমালিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি অত্যন্ত সীমিত এবং কোনো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নেই। রাশিয়া সেখানে প্রধানত সামরিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
উৎস:
- "Russia's Military Bases Abroad" – Council on Foreign Relations (CFR)
- "Vietnam-Russia Relations" – Ministry of Foreign Affairs of Vietnam
- "Russia's Military Presence in Southeast Asia" – International Institute for Strategic Studies (IISS)