ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) হুলিয়া
<মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও চেতনার সাথে সম্পর্কিত। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো সাধারণত স্বল্প সময়ে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে।>
**হুলিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— "হুলিয়া" একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা ১৯৯২ সালে নির্মিত হয়।
— চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন শহীদুল আলম।
— এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।
— চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামাঞ্চলে পরিচালিত হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনাগুলো তুলে ধরে।
— এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
— চলচ্চিত্রটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে।
**ধীরে বহে মেঘনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— "ধীরে বহে মেঘনা" একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা ১৯৯৯ সালে নির্মিত হয়।
— পরিচালক ছিলেন আলমগীর কবির।
— এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের একটি প্রেম ও সংগ্রামের কাহিনী তুলে ধরে।
— এটি একটি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়।
**কলমিলতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— "কলমিলতা" একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা ২০০৬ সালে নির্মিত হয়।
— পরিচালক ছিলেন মোরশেদুল ইসলাম।
— এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের একটি কাহিনী তুলে ধরে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব স্পষ্ট নয়।
**আবার তােরা মানুষ হ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— "আবার তােরা মানুষ হ" একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা ১৯৯৩ সালে নির্মিত হয়।
— পরিচালক ছিলেন কাজী হায়াৎ।
— এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের একটি সামাজিক সমস্যা তুলে ধরে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের প্রভাব স্পষ্ট নয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ধীরে বহে মেঘনা: এটি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য নয়।
✗ খ) কলমিলতা: এটি একটি সামাজিক চলচ্চিত্র, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
✗ গ) আবার তােরা মানুষ হ: এটি একটি সামাজিক চলচ্চিত্র, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) এর চলচ্চিত্র তালিকা।
— বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্রের তালিকা।
— বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের তথ্য।