ব্যাখ্যা
◉
ন্যাটো (
NATO)
চার্টারের আর্টিকেল-৫-এ সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা উল্লেখ আছে।
•
অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
– NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
– অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
উল্লেখ্য,
– ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে। নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ছোট। মাত্র ১৪টি ধারার। এগুলো হলো:
– অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
– অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
– অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
– অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
– অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
– অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
– অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
– অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
– অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
– অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
– অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
– অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
– অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
– অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
⇒ NATO:
– NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
– দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গঠন করা হয় সামরিক জোট NATO।
– প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
– প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল)।
– বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
– সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
– বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
– মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
– সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।