ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ২ ভাগে
**টারশিয়ারি পাহাড় সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ। এসব পাহাড় ভূতাত্ত্বিক গঠন ও অবস্থানের ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়ে থাকে।
**টারশিয়ারি পাহাড় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত।
— অবস্থান অনুসারে টারশিয়ারি পাহাড়কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
১) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের টারশিয়ারি পাহাড় (যেমন: সিলেটের পাহাড়সমূহ, খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়)
২) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের টারশিয়ারি পাহাড় (যেমন: চট্টগ্রামের পাহাড়সমূহ, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়সমূহ)
— টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো মূলত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।
— এসব পাহাড়ের উচ্চতা সাধারণত ৩০০ থেকে ১২৩০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
— বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডং (বিজয় নামেও পরিচিত) এই টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ৪ ভাগে: টারশিয়ারি পাহাড়কে চার ভাগে ভাগ করার কোনো ভিত্তি নেই। এটি ভূতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ নয়।
✗ গ) ৫ ভাগে: পাঁচ ভাগে বিভক্ত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
✗ ঘ) ৮ ভাগে: আট ভাগে বিভক্ত করার ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভূতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
**উৎস:**
— ভূগোল ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকার
— বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ (ড. এম. শহিদুল্লাহ)
— ভূতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকার