ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) রকেট ইঞ্জিন
<বিষয় সম্পর্কিত ভূমিকা>
বেলুন থেকে বাতাস বেরিয়ে যাওয়ার সময় যে গতি উৎপন্ন হয় তা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। একই নীতিতে পরিচালিত হয় রকেট ইঞ্জিন, যেখানে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট গ্যাসের প্রচণ্ড বেগে নির্গমনের মাধ্যমে বিপরীতমুখী বল উৎপন্ন হয় এবং রকেট সামনের দিকে ধাবিত হয়।
**রকেট ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— রকেট ইঞ্জিন নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুসারে কাজ করে: "প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।"
— রকেটের জ্বালানি দহনের ফলে উৎপন্ন গ্যাস প্রচণ্ড বেগে নির্গত হয়, যার ফলে বিপরীতমুখী বল সৃষ্টি হয় এবং রকেট সামনের দিকে ধাবিত হয়।
— রকেট ইঞ্জিন মহাকাশযান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য উচ্চগতিসম্পন্ন যানে ব্যবহৃত হয়।
— রকেট ইঞ্জিন দুই ধরনের হতে পারে: তরল জ্বালানি চালিত এবং কঠিন জ্বালানি চালিত।
— রকেট ইঞ্জিনের কার্যকারিতা নির্ভর করে নির্গমন গ্যাসের বেগ এবং জ্বালানির পরিমাণের উপর।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) বাষ্পীয় ইঞ্জিন: বাষ্পীয় ইঞ্জিন বাষ্পের চাপ ব্যবহার করে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, কিন্তু এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের উপর ভিত্তি করে কাজ করে না।
✗ খ) অন্তর্দহন ইঞ্জিন: অন্তর্দহন ইঞ্জিন জ্বালানি দহনের ফলে উৎপন্ন শক্তি ব্যবহার করে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, কিন্তু এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের উপর ভিত্তি করে কাজ করে না।
✗ গ) স্টারলিং ইঞ্জিন: স্টারলিং ইঞ্জিন তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, কিন্তু এটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রের উপর ভিত্তি করে কাজ করে না।
উৎস:
— পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক বই (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
— মহাকাশ বিজ্ঞান বিষয়ক বই (NASA প্রকাশিত)
— সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্নব্যাংক (BCS প্রিলিমিনারি পরীক্ষা)