ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ১৯১০
**রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর সাহিত্যকর্ম সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য একটি অমর সৃষ্টি। এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমে তিনি বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান লাভ করেন এবং পরবর্তীতে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
**‘গীতাঞ্জলি’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ‘গীতাঞ্জলি’ হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মূলত বাংলা ভাষায় রচিত।
— এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে (বাংলা ১৩১৭ সনে)।
— ‘গীতাঞ্জলি’তে মোট ১৫৭টি গান ও কবিতা সংকলিত রয়েছে।
— এই গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ নামে প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
— ইংরেজি অনুবাদটির মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করেন এবং ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
— ‘গীতাঞ্জলি’র মূল উপজীব্য হলো ভক্তি ও প্রেমের মাধ্যমে ঈশ্বরের কাছে নিজেকে সমর্পণ করা।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ১৯১১: এই সালটি ‘গীতাঞ্জলি’র প্রকাশকাল নয়। এটি ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের আগের বছর।
✗ গ) ১৯১২: ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ প্রকাশিত হয় এই সালে, মূল গ্রন্থ নয়।
✗ ঘ) ১৯১৩: এই সালটি রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির বছর, গ্রন্থ প্রকাশের বছর নয়।
**উৎস:**
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ‘গীতাঞ্জলি’ (প্রথম প্রকাশ: ১৯১০)
— বিশ্বভারতী প্রকাশন, ‘রবীন্দ্র রচনাবলী’ (খণ্ড ৩)
— আনিসুজ্জামান, ‘রবীন্দ্রনাথ: জীবন ও সাহিত্য’ (বাংলা একাডেমি)