ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) নিতুন কুণ্ডু
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও জাতীয় গৌরবের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
**নিতুন কুণ্ডু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী ছিলেন।
— তার জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর কলকাতায় এবং মৃত্যু ২০১৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায়।
— তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য নির্মাণ করেন, যার মধ্যে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ অন্যতম।
— তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সংশপ্তক’, ‘অপরাজেয় বাংলা’, ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ প্রভৃতি।
— তিনি বাংলাদেশের চারুকলা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হন।
— তার কাজগুলোতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ও জাতীয়তাবাদের প্রতিফলন ঘটেছে।
**ভাস্কর্যটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সামনে।
— এটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯২ সালে।
— ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ১৭ ফুট এবং এটি স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি।
— ভাস্কর্যটিতে দুজন ব্যক্তির প্রতিকৃতি রয়েছে, যাদের একজন একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্যজন একজন সাধারণ মানুষ।
— ভাস্কর্যটির মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও দেশপ্রেমের প্রতীক তুলে ধরা হয়েছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) হামিদুজ্জামান খান: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির স্থপতি নন।
✗ খ) রবিউল হুসাইন: তিনি একজন চিত্রশিল্পী হলেও ভাস্কর্যটির স্থপতি নন।
✗ গ) আব্দুর রাজ্জাক: তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, ভাস্কর ছিলেন না।
উৎস:
— রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রকাশনা।
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রকাশিত তথ্য।
— বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীতে প্রকাশিত নিতুন কুণ্ডুর জীবনী ও কর্ম সম্পর্কিত প্রবন্ধ।