ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ভূমিকম্প
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে।
**ভূমিকম্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত, কারণ এটি তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত: ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মা প্লেট।
— দেশের পূর্বাঞ্চলে বার্মা প্লেটের সাথে ইন্ডিয়ান প্লেটের সংঘর্ষের কারণে নিয়মিত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
— বাংলাদেশের ভূমিকম্পের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্প (রিখটার স্কেলে ৮.১), যা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছিল।
— সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে।
— ভূমিকম্পের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ভূগর্ভস্থ পানির অত্যধিক উত্তোলন, এবং ভূমিকম্প-প্রতিরোধী অবকাঠামোর অভাব।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ভূমিধস: ভূমিধস বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে ঘটে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটি প্রধান ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত নয়।
✗ গ) টর্নেডো: টর্নেডো বাংলাদেশে বিরল ঘটনা এবং এটি সাম্প্রতিক সময়ে ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণ নয়।
✗ ঘ) খরা: খরা বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে ঘটে, তবে এটি সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত নয়।
উৎস:
— ভূমিকম্প বিষয়ক গবেষণা প্রবন্ধ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
— বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (DMB) এর প্রতিবেদন।
— ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (GSB) এর তথ্য।