ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) নারিকেল জিঞ্জিরা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান:
সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের একটি প্রবাল দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
— এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
— দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার।
— স্থানীয়ভাবে দ্বীপটি "নারিকেল জিঞ্জিরা" নামেও পরিচিত, কারণ দ্বীপটিতে প্রচুর নারিকেল গাছ রয়েছে।
— সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ হলো এর সাদা বালির সমুদ্র সৈকত, প্রবাল প্রাচীর, এবং বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও জীববৈচিত্র্য।
— দ্বীপটিতে পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট, এবং রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
— সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো ট্রলার বা স্পিডবোট, যা টেকনাফ থেকে প্রায় ৩ ঘণ্টা যাত্রাপথ।
— দ্বীপটিতে কোনো যানবাহন নেই, তাই স্থানীয়ভাবে সাইকেল বা হাঁটার মাধ্যমেই চলাচল করা হয়।
— সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রধান জীবিকা হলো মৎস্য শিকার এবং পর্যটন ব্যবসা।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) সোনাদিয়া: সোনাদিয়া বাংলাদেশের আরেকটি দ্বীপ, যা চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত। এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের মতো প্রবাল দ্বীপ নয়।
✗ গ) কুতুবদিয়া: কুতুবদিয়া বাংলাদেশের আরেকটি দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এটি মূলত একটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের মতো নয়।
✗ ঘ) নিঝুম দ্বীপ: নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি দ্বীপ, যা নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত। এটি মূলত একটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের মতো নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.bd)
— বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (www.bangladeshtourism.gov.bd)
— "বাংলাদেশের ভূগোল" (ড. মোহাম্মদ আলী, বাংলা একাডেমি প্রকাশিত)