সঠিক উত্তর: (খ) নিতুন কুণ্ডু
'শাবাশ বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও জাতীয় গৌরবকে তুলে ধরার জন্য নির্মিত একটি উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম।
'শাবাশ বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— 'শাবাশ বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯৬ সালে।
— এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।
— ভাস্কর্যটির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
— ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ১২ ফুট এবং এটি স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে নির্মিত।
— ভাস্কর্যটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মধ্যে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়, যিনি একটি রাইফেল হাতে নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন।
— ভাস্কর্যটির নাম 'শাবাশ বাংলাদেশ' রাখা হয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় ধ্বনির প্রতি সম্মান জানিয়ে।
— এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি ও জাতীয় গৌরবের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) হামিদুজ্জামান: তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, তবে 'শাবাশ বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটির শিল্পী নন।
✗ গ) মৃণাল হক: তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি ও ভাস্কর, তবে এই ভাস্কর্যটির শিল্পী নন।
✗ ঘ) শামীম শিকদার: তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী ভাস্কর, তবে এই ভাস্কর্যটির শিল্পী নন।
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক প্রকাশিত 'বাংলাদেশের ভাস্কর্য' শীর্ষক গ্রন্থ।
— বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত 'স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন' শীর্ষক প্রকাশনা।
— দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও নিবন্ধ।