ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) থাইল্যান্ড
থাইল্যান্ড সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যার প্রাচীন নাম ছিল "শ্যামদেশ"। দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক বিবর্তনের সাথে এই নামটির সম্পর্ক রয়েছে।
থাইল্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— থাইল্যান্ডের পুরাতন নাম ছিল "শ্যামদেশ" (Siam)। এটি মূলত থাই ভাষায় ব্যবহৃত হতো। ইংরেজি ভাষায় দেশটির নাম ছিল "Siam"।
— ১৯৩৯ সালের ২৪ জুন থাইল্যান্ডের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্লেক ফিবুনসোঙ্গক্রাম দেশটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে "থাইল্যান্ড" (Thailand) নামকরণ করেন। "Thai" শব্দের অর্থ "স্বাধীন মানুষ" বা "মুক্ত মানুষ", আর "land" অর্থ ভূমি বা দেশ।
— থাইল্যান্ড একমাত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যা কখনো বিদেশী শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়নি। এটি তার স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
— থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। দেশটির সংস্কৃতি, খাবার ও ঐতিহ্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
— থাইল্যান্ডের সরকারি নাম "ราชอาณาจักรไทย" (Kingdom of Thailand), যার অর্থ "থাই রাজ্যের রাজ্য"।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) মিসর: মিসরের পুরাতন নাম ছিল "কেমেট" বা "মিসর"। এটি থাইল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
✗ খ) ইরাক: ইরাকের পুরাতন নাম ছিল "মেসোপটেমিয়া" বা "ব্যাবিলনিয়া"। এটি থাইল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
✗ গ) ইরান: ইরানের পুরাতন নাম ছিল "পারস্য"। এটি থাইল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
উৎস:
- "থাইল্যান্ডের ইতিহাস" — ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলা একাডেমি।
- "দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস" — অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।
- "থাইল্যান্ড: সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য" — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক।