ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) হামিদুজ্জামান খান
**স্টেপস ভাস্কর্যটি সম্পর্কে:**
১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের স্মরণে নির্মিত হয়েছিল ‘স্টেপস’ নামক ভাস্কর্যটি। এটি সিউল অলিম্পিক পার্কে স্থাপন করা হয়েছিল। এই ভাস্কর্যটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল এবং অলিম্পিকের শান্তি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
**হামিদুজ্জামান খান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর হিসেবে পরিচিত হামিদুজ্জামান খান।
— তিনি ১৯৪৮ সালের ২রা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
— তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
— তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে জাতীয় শহীদ মিনার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), স্বোপার্জিত স্বাধীনতা (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), স্টেপস (সিউল অলিম্পিক পার্ক), এবং অপরাজেয় বাংলা (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)।
— তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।
— তার ভাস্কর্যগুলোতে মানবিক আবেগ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা এবং সামাজিক মূল্যবোধ ফুটে ওঠে।
— তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তার কাজের জন্য সমাদৃত হন, বিশেষত সিউল অলিম্পিকের জন্য নির্মিত ‘স্টেপস’ ভাস্কর্যটির জন্য।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) নভেরা আহমেদ: তিনি একজন বাংলাদেশি ভাস্কর ছিলেন, তবে তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংসদ ভবনের ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’। তিনি স্টেপস ভাস্কর্যটির নির্মাতা নন।
✗ গ) আবদুল্লাহ খালেদ: তিনি একজন বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর ছিলেন, তবে তার কাজের মধ্যে স্টেপস ভাস্কর্যটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
✗ ঘ) সুলতানুল ইসলাম: তিনি একজন বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ছিলেন, তবে তিনি ভাস্কর হিসেবে পরিচিত ছিলেন না। স্টেপস ভাস্কর্যটির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.bd)
— বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একুশে পদক প্রাপ্তদের জীবনী সংক্রান্ত প্রকাশনা
— সিউল অলিম্পিক আয়োজক কমিটির অফিসিয়াল প্রকাশনা