ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ডিম্যাট
স্টক মার্কেটে লেনদেন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন নতুন পদ্ধতি চালু হয়েছে। এর মধ্যে ডিম্যাট পদ্ধতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হয়।
**ডিম্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **ডিম্যাট (Dematerialization)** হলো শেয়ার বা অন্যান্য সিকিউরিটিজকে কাগুজে শংসাপত্র থেকে ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে রূপান্তরের প্রক্রিয়া। এটি স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনকে দ্রুত, নিরাপদ এবং সহজ করে তোলে।
— **ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট** হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক অ্যাকাউন্ট যেখানে একজন বিনিয়োগকারী তার শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি সাধারণত ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারী (DP) যেমন ব্যাংক বা ব্রোকারেজ ফার্মের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
— **ভারতে ১৯৯৬ সালে** প্রথম ডিম্যাট ব্যবস্থা চালু হয়, যখন ন্যাশনাল সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি লিমিটেড (NSDL) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সার্ভিসেস লিমিটেড (CDSL) নামে আরেকটি ডিপোজিটরি প্রতিষ্ঠিত হয়।
— **ডিম্যাট ব্যবস্থা চালু হওয়ার পূর্বে** শেয়ার লেনদেন সম্পূর্ণ কাগুজে প্রক্রিয়ায় হতো, যা সময়সাপেক্ষ এবং জালিয়াতির ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ডিম্যাট ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকে এই সমস্যাগুলো অনেকাংশে কমে যায়।
**ডিভিডেন্ট সম্পর্কে:**
— ডিভিডেন্ট হলো কোনো কোম্পানি তার শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফার অংশ হিসেবে প্রদান করা অর্থ বা শেয়ার। এটি স্টক শেয়ারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হলেও এটি কোনো নতুন পদ্ধতি নয়, বরং একটি পুরাতন প্রথা।
**ডিভ্যালু সম্পর্কে:**
— ডিভ্যালু শব্দটি ইংরেজি "Devalue" থেকে এসেছে, যার অর্থ মূল্যহ্রাস করা। এটি কোনো স্টক মার্কেট পদ্ধতি নয়, বরং অর্থনৈতিক বা মুদ্রানীতির সাথে সম্পর্কিত একটি ধারণা।
**ডিসকাউন্ট সম্পর্কে:**
— ডিসকাউন্ট হলো কোনো পণ্য বা সেবার মূল্য হ্রাস। এটি স্টক মার্কেটের লেনদেন পদ্ধতি নয়, বরং সাধারণ বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অংশ।
উৎস:
— Securities and Exchange Board of India (SEBI) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
— National Securities Depository Limited (NSDL) এর অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন
— "Financial Markets and Institutions" বই (Frederic S. Mishkin)