ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) ডাউকি
তামাবিল সীমান্ত বাংলাদেশের সিলেট জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এই সীমান্ত দিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াত পরিচালিত হয়।
**ডাউকি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ডাউকি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের একটি শহর, যা বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের বিপরীতে অবস্থিত।
— এটি মেঘালয়ের পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার সদর দপ্তর।
— ডাউকি শহরটি উমিয়াম হ্রদের কাছে অবস্থিত, যা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।
— তামাবিল-ডাউকি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নিয়মিত পণ্য আদান-প্রদান হয়।
— এই সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সুবিধা রয়েছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) করিমগঞ্জ: এটি ভারতের আসাম রাজ্যের একটি শহর, যা বাংলাদেশের সিলেট জেলার শিলং সীমান্তের সাথে যুক্ত নয়।
✗ খ) খোয়াই: এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি শহর, যা বাংলাদেশের সিলেট জেলার সাথে সরাসরি সংযুক্ত নয়।
✗ গ) পেট্রাপল: এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি শহর, যা বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্তের সাথে যুক্ত নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত বিষয়ক তথ্য।
— ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত তথ্য।
— বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সীমান্ত চুক্তি ও মানচিত্র।