ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) যৌগিক বাক্য
বাক্যের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত ভূমিকা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়: সরল বাক্য, যৌগিক বাক্য, মিশ্র বাক্য ও জটিল বাক্য। প্রতিটি শ্রেণির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা বাক্যের গঠন ও অর্থ প্রকাশে ভূমিকা রাখে।
"যৌগিক বাক্য" সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— যৌগিক বাক্য হলো সেই বাক্য যা একাধিক স্বাধীন বাক্যাংশ বা খণ্ডবাক্যের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
— প্রতিটি খণ্ডবাক্য নিজেই একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং এদের মধ্যে সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, কিন্তু, অথবা, তাই, সুতরাং) ব্যবহৃত হয়।
— যৌগিক বাক্যে কোনো অধীনস্থ বাক্যাংশ থাকে না; সবগুলো অংশ সমান গুরুত্ব বহন করে।
— উদাহরণ: "সে এলো কিন্তু কাজ করল না।" এখানে "সে এলো" এবং "কাজ করল না" দুটি স্বাধীন বাক্যাংশ, যা "কিন্তু" দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) সাধারণ বাক্য: সাধারণ বাক্য হলো একটি মাত্র উদ্দেশ্য ও একটি মাত্র বিধেয় বিশিষ্ট বাক্য। যেমন: "সে এলো।" এটি একটি সাধারণ বাক্য, কারণ এখানে কোনো খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়নি।
✗ গ) মিশ্র বাক্য: মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান বাক্যাংশের সাথে এক বা একাধিক অধীনস্থ বাক্যাংশ যুক্ত থাকে। যেমন: "যদি সে আসে তাহলে কাজ করবে।" এখানে "যদি সে আসে" অধীনস্থ বাক্যাংশ।
✗ ঘ) সরল বাক্য: সরল বাক্য হলো একটি মাত্র উদ্দেশ্য ও বিধেয় বিশিষ্ট বাক্য যেখানে কোনো খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে না। যেমন: "সে কাজ করল।"
উৎস:
— বাংলা ব্যাকরণ (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)
— মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়)
— বিসিএস সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা ব্যাকরণ গাইড (অনুশীলন প্রকাশনী)