সঠিক উত্তর: (খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা:
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উপকূলবর্তী দেশ হিসেবে তার সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে নিজস্ব অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করেছে। এই সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার সামুদ্রিক সম্পদ যেমন মৎস্য, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি উত্তোলন ও ব্যবস্থাপনার অধিকার লাভ করে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হলো উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা।
— এই সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS-1982) অনুসারে।
— ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ফলে বাংলাদেশ তার সামুদ্রিক এলাকায় একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।
— বাংলাদেশ সরকার এই সমুদ্রসীমা থেকে প্রাপ্ত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যেমন মৎস্য অধিকার সংরক্ষণ, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ ইত্যাদি।
— বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ফলে দেশটি তার সামুদ্রিক সম্পদের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ২৫০ নটিক্যাল মাইল: জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুসারে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল। ২৫০ নটিক্যাল মাইল কোনো দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
✗ গ) ২২৫ নটিক্যাল মাইল: এটি কোনো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত নয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
✗ ঘ) ১০ নটিক্যাল মাইল: এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলসীমা বা টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমার অংশ হতে পারে, কিন্তু অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা নয়।
উৎস:
— জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS-1982)
— বাংলাদেশ সরকারের সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা
— বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্রীয় এলাকা সম্পর্কিত ধারা