ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ২০১১
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১১ সালে।
**বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য **স্থল সীমান্ত চুক্তি (Land Boundary Agreement - LBA)** নামে পরিচিত প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয় **২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর**।
— এই প্রটোকলের মূল উদ্দেশ্য ছিল **অচিহ্নিত সীমান্ত এলাকা নির্ধারণ করা** এবং **এনক্লেভ বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা**।
— বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী **শেখ হাসিনা** এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী **ড. মনমোহন সিং** এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
— প্রটোকলটি কার্যকর হয় **২০১৫ সালের জুন মাসে**, যখন উভয় দেশের সংসদে এটি অনুমোদিত হয়।
— এই চুক্তির ফলে **১৬২টি ভারতীয় ছিটমহল বাংলাদেশে** এবং **৫১টি বাংলাদেশী ছিটমহল ভারতের মধ্যে** স্থানান্তরিত হয়।
— এটি ছিল **দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যার সমাধান**, যা ১৯৭৪ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তির পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ১৯৭৪: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি **স্থল সীমান্ত চুক্তি** স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তবে এটি ছিল প্রাথমিক চুক্তি, প্রটোকল নয়। প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল অনেক পরে।
✗ গ) ২০১৩: ২০১৩ সালে কোনো স্থল সীমান্ত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়নি। এই বছরটি ছিল ভারতের সাধারণ নির্বাচনের বছর।
✗ ঘ) ২০১৫: ২০১৫ সালে প্রটোকলটি **কার্যকর** হয়েছিল, স্বাক্ষরিত হয়নি।
**উৎস:**
— বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রণালয়।
— "Land Boundary Agreement (LBA) between India and Bangladesh" – ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
— "বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: স্থল সীমান্ত চুক্তির প্রভাব" – বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (BIISS)।