ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ১৯৭২
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-এর সদস্যপদ লাভের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা প্রাসঙ্গিক।
**আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (International Labour Organization, ILO) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির অধীনে। এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
— ILO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রম অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং কর্মক্ষেত্রে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
— সদস্য দেশগুলো শ্রম আইন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা এবং শ্রমিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
— বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের ২২ জুন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
— সদস্যপদ লাভের ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম মান অনুযায়ী নিজ দেশের শ্রম আইন ও কর্মক্ষেত্র সংস্কারে উদ্যোগ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।
— ILO-এর সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ১৯৭৩: বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য নয়।
✗ গ) ১৯৭৪: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সদস্য হয়, ILO নয়।
✗ ঘ) ১৯৭৫: ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্য হয়, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
— আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর অফিসিয়াল রেকর্ড
— জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ তালিকা