ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
<গ্রীনহাউজ গ্যাস সম্পর্কিত ভূমিকা>
গ্রীনহাউজ গ্যাস হলো সেই সকল গ্যাস যেগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রাখে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। প্রধান গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), জলীয় বাষ্প (H₂O) এবং ওজোন (O₃)। তবে সব গ্যাস গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়।
<গ্রীনহাউজ গ্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য>
— **গ্রীনহাউজ প্রভাব**: সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ভূ-পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে। উত্তপ্ত ভূ-পৃষ্ঠ থেকে নির্গত ইনফ্রারেড রশ্মি গ্রীনহাউজ গ্যাস দ্বারা শোষিত হয়ে আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে, ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
— **প্রধান গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ**:
— **কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)**: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন উজাড় এবং শিল্প কারখানার প্রধান উৎস।
— **মিথেন (CH₄)**: ধানক্ষেত, গবাদিপশুর পাচন প্রক্রিয়া, ল্যান্ডফিল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনের ফলে নির্গত হয়।
— **নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O)**: কৃষিজমিতে সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে নির্গত হয়।
— **জলীয় বাষ্প (H₂O)**: প্রাকৃতিকভাবে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে নির্গত হয় এবং গ্রীনহাউজ প্রভাবকে ত্বরান্বিত করে।
— **গ্রীনহাউজ গ্যাসের প্রভাব**: বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
<নাইট্রিক অক্সাইড (NO) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য>
— **রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য**: নাইট্রিক অক্সাইড একটি বর্ণহীন গ্যাস যা নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেনের বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয়।
— **উৎস**: প্রধানত যানবাহনের ধোঁয়া, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং শিল্প কারখানার ধোঁয়া থেকে নির্গত হয়।
— **গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়**: নাইট্রিক অক্সাইড (NO) গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়, তবে এটি বায়ুদূষণের একটি প্রধান উপাদান এবং অ্যাসিড বৃষ্টির কারণ হতে পারে।
— **পরিবেশগত প্রভাব**: এটি ওজোন স্তরের ক্ষতি করে এবং ধোঁয়াশা তৈরিতে অবদান রাখে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ **ক) জলীয় বাষ্প (H₂O)**: জলীয় বাষ্প একটি শক্তিশালী গ্রীনহাউজ গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রাখে।
✗ **খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)**: কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রধান গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলির মধ্যে অন্যতম, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
✗ **গ) মিথেন (CH₄)**: মিথেন একটি শক্তিশালী গ্রীনহাউজ গ্যাস, যা কার