– হরিকেল জনপদ ⎯ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
‘শিরশ্ছেদ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ –
কশির + ছেদ
খশিরঃ + ছেদ✓
গশিরশ্ + ছেদ
ঘশির + উচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) শিরঃ + ছেদ
**‘শিরশ্ছেদ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলা ভাষায় সন্ধি হলো দুটি শব্দ বা বর্ণের মিলনের ফলে নতুন শব্দ গঠন হওয়া। ‘শিরশ্ছেদ’ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ ‘শিরঃছেদঃ’ থেকে এসেছে, যেখানে ‘শিরঃ’ অর্থ মাথা এবং ‘ছেদঃ’ অর্থ কাটা। এই শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ নির্ণয় করার জন্য সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
**‘শিরশ্ছেদ’ শব্দ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ‘শিরশ্ছেদ’ শব্দটির অর্থ হলো মাথা কাটা বা শিরোচ্ছেদ। এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ।
— সংস্কৃত ভাষায় ‘শিরঃ’ (শিরঃ) এবং ‘ছেদঃ’ (ছেদঃ) শব্দ দুটির মিলনে ‘শিরঃছেদঃ’ গঠিত হয়।
— বাংলা ভাষায় এই শব্দটি ‘শিরশ্ছেদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে ‘ঃ’ (বিসর্গ) এবং ‘ছ’ এর মিলনে ‘শ্ছ’ ধ্বনি গঠিত হয়েছে।
— সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর ‘ছ’ থাকলে বিসর্গটি ‘ঃ’ হিসেবে থাকে এবং পরবর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) শির + ছেদ: এটি ভুল কারণ বিসর্গের ব্যবহার উপেক্ষা করা হয়েছে। সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ থাকলে তা আলাদা রাখতে হয়।
✗ গ) শিরশ্ + ছেদ: এটি ভুল কারণ ‘শিরশ্’ অংশটি সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত নয়। বিসর্গের পর ‘ছ’ থাকলে বিসর্গটি ‘ঃ’ হিসেবে থাকে।
✗ ঘ) শির + উচ্ছেদ: এটি ভুল কারণ ‘উচ্ছেদ’ শব্দটির অর্থ ভিন্ন (উৎখাত করা)। এছাড়া সন্ধির নিয়মও মানা হয়নি।
**উৎস:**
— সংস্কৃত ব্যাকরণের সন্ধি অধ্যায় (ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ’)
— বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
— বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও সমাধান ব্যাংক